তারেক রহমানকে অন্যায়ভাবে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়েছে -ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বি এন পির আহবায়ক কমিটির সম্মানিত সদস্য,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের যুগ্ন সম্পাদক ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা বলেছেন,তারেক রহমানকে অন্যায়ভাবে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়েছে বলেছেন, ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার রায় সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে সম্পূর্ণ উদ্দ্যেশ্য প্রণোদিত ভাবে দিয়েছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জড়িয়েছে। কোন স্বাক্ষি সাক্ষ্য দেয়ার সময় তারেক রহমান বা বিএনপির কোনো নেতার নাম পর্যন্ত বলেন নি। তারেক রহমানকে অন্যায়ভাবে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়েছে। এ মামলায় তিনি ন্যায় বিচার পাননি। তারেক রহমান কোন অন্যায় করেন নি। তিনি এদেশে গণতন্ত্র রক্ষা, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। তারা বলেন, তীব্র গণআন্দোলনের মাধ্যমে এদেশের বর্তমান নৈরাজ্যকর অবস্থার অবসান ঘটে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এই উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলাও রায়ের উদ্দেশ্য হচ্ছে তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সম্মান ক্ষুন্ন করতেই এই অপকৌশল। ইহার মাধ্যমে সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত আদালতের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা আজ ২০ অক্টোবর শনিবার বিকেলে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার রায়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জড়িত করার প্রতিবাদে বিএনপি অঙ্গ সংগঠন সমুহ হাটহাজারী উপজেলা শাখার উদ্যেগে এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সোলাইমান মন্জুর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত প্রতিবাদ সভায বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদরের সহ সভাপতি সৈয়দ ইকবাল,আবুল হোসেন চেয়ারম্যান,মালেক মেন্বার,জয়নাল আবেদীন,নাজিম উদ্দীন,সাহেদুল আজম, জাহেদ আলী,লাসেদুল আলম, সোহেল রানা, মোহাম্মদ জাহেদ সহ অন্যান্য নেতৃবিনাদ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য চট্টগ্রাম এর গণ মানুষের নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কে, তথ্য প্রযুক্তি আইনের মিথ্যা মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
সরকার আদালতকে ব্যবহার করে তাদের হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করেছে। যেমনটি বেগম খালেদা জিয়াকেও মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে আটকে রেখেছে। যেদেশের প্রধান বিচারপ্রতি এস কে সিনহা সুবিচার পায় না, সেখানে কোন নাগরিকের সুবিচার পাওয়ার সুযোগ নেই। তারেক রহমান ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এ রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। দেশবাসী এ রায়কে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। কেবল মৃত ব্যক্তি নই, পুলিশ এমন অনেকের বিরুদ্ধে এ ধরনের গায়েবী মামলা দিয়েছে, যারা সেই সময় দেশে ছিলেন না। তারা আরো বলেন, পুলিশ এখন রাষ্ট্রের পুলিশের পরিবর্তে সরকারী বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। এরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে তাদের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। ফলে আসন্ন নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের যে দাবী উঠেছে, তার যৌক্তিতা বেড়েছে।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বিএনপি নেতাকর্মীদের গায়েবী মামলাসহ সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে সকল রাজবন্দিদের নি:শর্ত মুক্তি কামনা করে এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের এই ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারের পতনের জন্য আগামী দিনে আন্দোলন সংগ্রামে প্রস্তুত থাকার আহবান জানান।

Please follow and like us:
comments

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *